ইংরেজ শাসকদের কাছ থেকে উপমহাদেশের মুক্তির জন্য মহাত্মা গান্ধী এক সময় এদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেন। নানাভাবে তাদের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করার চেষ্টা করেন। এরই ধারাবাহিক ফসল স্বদেশী আন্দোলন, অহিংস আন্দোলন ইত্যাদি। কালের বিবর্তনে জন্ম পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি পৃথক রাষ্ট্রের এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশের।
উদ্দীপকটিতে 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' ভাষণের শেখ মুজিবুর রহমানের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে আপসহীন সংগ্রাম এবং আন্দোলনে নেতৃত্বদানের দিকটি ফুটে উঠেছে।
জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে যোগ্য নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। যুগে যুগে কালে কালে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন সময় যোগ্য নেতার আবির্ভাব ঘটেছে। তাঁরা স্বজাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।
উদ্দীপকে ভারতের অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলনের প্রবক্তা মহাত্মা গান্ধীর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদানের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি ব্রিটিশ সরকারের নানা অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর এ অবদান 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' ভাষণে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনিও জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বাঙালি জাতিকে তাঁদের, ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে জাগিয়ে তুলে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলার মানুষ শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের সর্বস্তরের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই বাঙালি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে এবং দেশকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন করেছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপটিতে 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' ভাষণের শেখ মুজিবুর রহমানের অধিকার আদায়ে সংগ্রামী চেতনা ও আন্দোলনে নেতৃত্বদানের দিকটি ফুটে উঠেছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?